End this click

Tuesday, August 31, 2021

Software World : ধনী হওয়ার গোপন সূত্র,ইসলামে ধনী হওয়ার উপায়, ধনী...

Software World : ধনী হওয়ার গোপন সূত্র,ইসলামে ধনী হওয়ার উপায়, ধনী...:   ধনী হওয়ার ১২ উপায় ধনী হতে কে না চায়। চাকরি বা ব্যবসা যে পেশায়ই মানুষ থাকুক না কেন ধনী হওয়ার বাসনা সবারই। কিন্তু সবার পক্ষে ধনী হওয়া সম্ভব ...

Tuesday, July 27, 2021

Jole Giyachilam Shoi || জলে গিয়াছিলাম সই


 জলে গিয়াছিলাম সই
কালা কাজলের পাখি দেইখা
আইলাম কই।।
সোনার ও পিঞ্জরা সই গো ,
রুপার ও টাঙ্গুনি
আবেরা চান্দুয়া দিয়া
পিঞ্জিরা ঢাকুনি।।
পালিতে পালছিলাম পাখি
দুধ কলা দিয়া।।
এগো যাইবার কালে
বেঈমান পাখি না চাইল ফিরিয়া।।
ভাইবে রাধার ও মন বলে
পাখি রইলো কই।।
এগো আইনা দে মোর প্রাণ পাখি
পিঞ্জরাতে থই।।
কথা: রাধারমন দত্ত
কণ্ঠ: ওস্তাদ রাম কানাই দাস
x

এসো প্রিয় মন রাঙ্গায়ে | নজরুল সঙ্গীত | Eso Priyo Mon Rangaye এসো প্রিয়, মন রাঙায়ে ধীরে ধীরে ঘুম ভাঙায়ে

 


এসো প্রিয়, মন রাঙায়ে ধীরে ধীরে ঘুম ভাঙায়ে
মন মাধবী বন দুলায়ে, দুলায়ে, দুলায়ে।।
শোন ‘পিউ পিউ’ ডাকে পাপিয়া
মোরে সেই সুরে ডাক ‘পিয়া, পিয়া’
তব আদর-পরশ বুলায়ে, বুলায়ে, বুলায়ে।।
যদি আন কাজে ভুলে রহি
চলে যেও না হে মোর বিরহী
দিও প্রিয়, কাজ ভুলায়ে, ভুলায়ে, ভুলায়ে।।

Sunday, July 25, 2021

গিটারের দাম ও প্রকারভেদ,একটি ভালো গিটারের দাম কত কোন গিটারের কেমন দাম

এইটা গিটারের মান, ব্যাবহারী এবং প্রকারভেদের ওপর নির্ভর করে।  আমি প্রত্যেকটি গিটারের সম্পর্কে তথ্য দিলাম। 

১। Acoustic Guitars: এইটা আমাদের সবার চেনা প্রচলিত একটি ক্লাসিকাল গিটার, যাকে Acoustic গিটার বলে। যেকোনো শিক্ষার্থীর উচিত এই গিটার নিয়েই হাতেখরি করা। এর মূল ফিচার ফ্ল্যাট বডি এবং এর তার গুলো নাইলন এবং কিছু ক্ষেত্রে স্টিলের তৈরি। ( আপনি এক সপ্তাহের মধ্যেই বেসিক শিখতে পারবেন, আমার ৩ দিন লেগেছিল)  

বিগেনার মডেলের দামঃ শুরু হয় ৳৩,৫০০ থেকে (উদাহরণ)  

প্রফেশনাল মডেলের দামঃ শুরু হয় ৳১,০০,০০০ থেকে (উদাহরণ)

২। Electric Guitars: রক প্রেমিদের সপ্ন হল একটি ইলেকট্রিক গিটার। এর মূল ফিচার হচ্ছে সলিড বডি, যার ফলে এর সাউন্ড  Acoustic গিটার এর থেকে ভিন্ন।এগুলির তার সম্পূর্ণ স্টিল এর তৈরি এবং এইগুলি এমন ভাবে ডিজাইন করা যে সরাসরি এমপ্লিফায়ার এর সাথে সংযুক্ত হতে পারবে। ( স্টিলের তারের জন্য এই গিটারটি বাজানো একটু কষ্টকর, প্রথম প্রথম হাতে খুব ব্যথা লাগে, অনেকে ব্যথার জন্যই বাজানো ছেঁড়ে দেয়। কিন্তু একবার শিখতে পারলে এর প্রেমে পরে যাবেন। এইটি ভালভাবে বাজানো শিখতে আমার ১.৫ মাস লেগেছিল এবং বেসিক সম্পূর্ণ করতে প্রায় ৩ মাস)

বিগেনার মডেলের দামঃ শুরু হয় ৳২০,০০০ থেকে (উদাহরণ)  

প্রফেশনাল মডেলের দামঃ শুরু হয় ৳১,০০,০০০ থেকে 

৩। Electro-acoustic বা semi-acoustic গিটারঃ নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এই গিটারটি অর্ধেক acoustic এবং অর্ধেক Electric। 

বিগেনার মডেলের দামঃ শুরু হয় ৳৩,৫০০ থেকে (উদাহরণ)  

প্রফেশনাল মডেলের দামঃ শুরু হয় ৳১৫,০০০ থেকে (উদাহরণ)    


৪। Archtop Guitars: এই গিটার গুলোর অপরের অংশ ধনুকের মতো হেলানো এবং লম্বা। এই গুলি সাউন্ড সাধারণ গিটারের থেকে ভিন্ন এবং কিছুটা ভায়লিন এর মতো। সাধারণত জ্যাজ মিউজিকের ক্ষেত্রে এইগুলি ব্যাবহার করা হয়। এই গিটার এ পারদর্শী হওয়া অনেক সাধনার ব্যাপার। আমাদের দেশে খুব একটা এই গিটার পাওয়াও যায় না। ( আমার ৩ বছর লেগেছিলো বেসিক শিখতে, আমার টা আমি ইউরোপ থেকে কিনেছিলাম)


(এইটা কোনো বিগেনারের গিটার না)

প্রফেশনাল মডেলের দামঃ শুরু হয় ৳৪,০০,০০০ থেকে 


৫। Steel Guitars এই গিটার সাধারণ গিটারের থেকে আলাদা এবং ব্যাতিক্রমধর্মী । অন্যান্য গিটারের মতো হাতে না নিয়ে এইটি কোলে নিয়ে বাজাতে হয়। এই সম্পূর্ণ স্টিলের তৈরি। (একবার আয়ুব বাচ্চুর স্টুডিও তে এই গিটার দেখেছিলাম। নিজে কখনো বাজাই নি। এটা আমাদের দেশে পাওয়া যায় না, দাম সম্পর্কে ধারণা নেই। ) 


৬। Touch Guitars: এইটা মডার্ন জুগের একটি আবিস্কার। এইটি সম্পূর্ণ টাচ। কিছু মডেলে ডিজাইনের জন্য তার দেয়া থাকে, কিন্তু সেইটা শুধুমাত্র ডিজাইন।


৭। Resonator Guitars: এটি সাধারণ গিটারের থেকে ভিন্নধর্মী। সাধারণগিটার গুলি তরঙ্গ ভিত্তিক, এইটাও তরঙ্গ ভিত্তিক কিন্তু এইখানে সাউন্ড গুলো অনেক ডিফারেন্ট কারণ সাউন্ডগুলি পুরো স্টিলের গোলকের ভেতর দিয়ে কম্পাঙ্ক তৈরি করে। 

৮। Bass Guitars: এই গিটার গুলি মিউজিকের বেস তৈরির জন্য ব্যাবহার করা হয়। এর গঠন ইলেকট্রিক গিটারের মতোনই শুধু তার গুলো মোটা এবং ঘাড়টি লম্বা যাতে এর থেকে ভালো বেজ মিউজিক উৎপন্ন করা যায়। (এটি বাজানো বেশটা ইলেকট্রিক গিটারের মতো। যারা ইলেকট্রিক গিতারা বাজাতে পারে তারা ১ দিনের মধ্যেই এইটা বাজাতে পারবে। আমার ২.৫ ঘণ্টা লেগেছিল।) 

(এইটা সাধারনত বিগেনারেরা ব্যাবহার করে না)বিগেনার মডেলের দামঃ শুরু হয় ৳৩০,০০০ থেকে (উদাহরণ)  
প্রফেশনাল মডেলের দামঃ শুরু হয় ৳১,০০,০০০ থেকে 

৯। Multi-neck guitar: এইটা এমন একটা গিটার, এর কোনো প্র্যাক্টিকাল প্রয়গ নেই। শিল্পীরা সুরের সাথে এক্সপেরিমেন্ট এবং সাধারণ মানুষ শখের বসে এগুলো কেনে। এইটা সাধারনত ২-৬ ঘাড়ের হয়ে থাকে। (আমি আজ পর্যন্ত বাস্তবে কাউকে দেখি নি এটি ব্যাবহার করতে। কিন্তু কিংবদন্তি শিল্পী এল্ভিস প্রেস্লি কে এই গিটার ব্যাবহার করে গান

Friday, July 23, 2021

Rabindranath Thakur, বাংলা কবিতা সমগ্র , Bangla Kobita of Robindronath Thakur


Rabindranath Thakur
Bangla Kobita of Robindronath Thakur #1
১৪০০ সাল

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আজি হতে শতবর্ষ পরে
কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানি
কৌতূহলভরে--
আজি হতে শতবর্ষ পরে।
আজি নববসন্তের প্রভাতের আনন্দের
লেশমাত্র ভাগ--
আজিকার কোনো ফুল, বিহঙ্গের কোনো গান,
আজিকার কোনো রক্তরাগ
অনুরাগে সিক্ত করি পারিব কি পাঠাইতে
তোমাদের করে
আজি হতে শতবর্ষ পরে?।

তবু তুমি একবার খুলিয়া দক্ষিণদ্বার
বসি বাতায়নে
সুদূর দিগন্তে চাহি কল্পনায় অবগাহি
ভেবে দেখো মনে--
একদিন শতবর্ষ আগে
চঞ্চল পুলকরাশি কোন্‌ স্বর্গ হতে ভাসি
নিখিলের মর্মে আসি লাগে--
নবীন ফাল্গুনদিন সকল বন্ধনহীন
উন্মত্ত অধীর--
উড়ায়ে চঞ্চল পাখা পুষ্পরেণুগন্ধমাখা
দক্ষিণসমীর--
সহসা আসিয়া ত্বরা রাঙায়ে দিয়েছে ধরা
যৌবনের রাগে
তোমাদের শতবর্ষ আগে।
সেদিন উতলা প্রাণে, হৃদয় মগন গানে,
কবি এক জাগে--
কত কথা পুষ্পপ্রায় বিকশি তুলিতে চায়
কত অনুরাগে
একদিন শতবর্ষ আগে।
আজি হতে শতবর্ষ পরে
এখন করিছে গান সে কোন্‌ নূতন কবি
তোমাদের ঘরে?
আজিকার বসন্তের আনন্দ-অভিবাদন
পাঠায়ে দিলাম তাঁর করে।
আমার বসন্তগান তোমার বসন্তদিনে
ধ্বনিত হউক ক্ষণতরে
হৃদয়স্পন্দনে তব ভ্রমরগুঞ্জনে নব
পল্লবমর্মরে
আজি হতে শতবর্ষ পরে।

Thursday, July 22, 2021

তবলার বিভিন্ন অংশের নাম তবলার তাল সমূহ,তবলার স্বরলিপি তবলা বাজানোর নিয়ম তবলার তাল সমূহ

 


তবলা আরবি ত বলা >তবলা ঊর্ধ্বক্রমবাচকতা {  | আনদ্ধ বাদ্যযন্ত্র | ঘাত বাদ্যযন্ত্র | সঙ্গীতযন্ত্র | যন্ত্র | ডিভাইস | যন্ত্রকরণতা | মানবসৃষ্টি | সমগ্র | দৈহিক লক্ষ্যবস্তু | দৈহিক সত্তা | সত্তা |} ভারতীয় সঙ্গীতে ব্যবহৃত একপ্রকার তাল রক্ষাকারী  আনদ্ধ বাদ্যযন্ত্র। দুটি খণ্ডের একটি সেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উভয়ই আনদ্ধ। এর একটি খণ্ডের নাম তবলা বা ডাইনা। অপর অংশের নাম ডুগি বা বাঁয়া। সম্মিলিত নাম তবলা-বাঁয়া। সংক্ষেপে তবলা। সরাসরি হাতের মণিবন্ধ তালু এবং অঙ্গুলির আঘাতে বাজানো হয়। তবলা-বাঁয়ার প্রচলন শুরু হয়, ভারতবর্ষের মুসলিম শাসনামলে। এই যন্ত্রটি আরবে প্রচলিত আনদ্ধ বাদ্যযন্ত্রের একটি সংস্কারকৃত যন্ত্র। আদ্য তবলা তৈরি করেছিলেন আরবদেশের জুবলের পুত্র টুবল। আবিষ্কারকের নামানুসারেই এর নামকরণ করা হয়েছিল তবল। এই যন্ত্রটি আরব-সঙ্গীত শিল্পীদের সূত্রে পারশ্যে প্রবেশ করেছিল। 

মাং’সে লবণ ক’ম হয়েছে ব’লায় জা’মাই’কে পি’টালে’ন শ্বা’শুড়ি!


বাংলা সাহিত্যে জামাই ষষ্ঠীর তেমন রমর’মা দেখা না গেলেও, অস্বীকার করার উপায় নেই, বাঙালির সংস্কৃতিতে জামাই ষষ্ঠী একটা রীতিমতো জম্পেশ ব্যাপার। মনে রাখতে হবে, সেলুলয়েডে বাঙালির বোল ফুটেছিল

জামাই ষষ্ঠীরই কল্যাণে। ১৯৩১ সালে তোলা হয় বাংলার প্রথম সবাক কাহিনিচিত্র ‘জামাই ষষ্ঠী’।

পরিচালক ছিলেন অমর’ চৌধুরী। সেই ছবি দেখার সৌভাগ্য না হলেও অনুমান করা যায়, সে ছবি ছিল নির্ভেজাল কমেডি। সেকালের ছায়াছবির দস্তুর মোতাবেক তা স্ল্যাপস্টিক কমেডিও ‘হতে পারে। কিন্তু ভাবার

ব্যাপার একটাই, কেন অমর’বাবু তাঁর প্রথম সবাক ছবির বি’ষয় হিসেবে জামাই ষষ্ঠীকে বেছে নিলেন?

একটু তলিয়ে ভেবে দেখলে বোঝা যায়, জামাই ষষ্ঠী এমন এক পরব, যার খাতির রয়েছে, কিন্তু মান নেই। মানে, জামাই নামক সম্পর্কটাকে ধরে খাতিরদারি দেদার এই উৎসবের, কিন্তু বাজারে কেমন যেন একটা তিরছি

নজরে দেখা হয় জামাই ষষ্ঠীকে। জামাইয়ের আদর আছে, কিন্তু জামাই ষষ্ঠী কেমন যেন একটা টিটকিরি-মাখা অ্যাফেয়ার।

কিন্তু আদতে এই অনুষ্ঠানটির পিছনে ছিল সংসারের শুভকামনা আর পরবর্তী প্রজন্মের কল্যাণের আকাঙ্ক্ষা। ষষ্ঠীদেবীর উৎস লৌকিক। শাস্ত্র-পুরাণে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাব’ে না। লোকজীবনে সন্তান-কামনা ও

সন্তানের সার্বিক শ্রী কামনা করেই তাঁর ব্রত ধারণ করে আসছেন মহিলারা।

জামাই ষষ্ঠী তার ব্যতিক্রম নয়। কন্যাসন্তানের সুবাদে পরিবারে আগত জামাতাকেও সন্তান হিসেবে বরণ করে নেওয়ার অ’ভিজ্ঞান এই আচারের পরতে পরতে। সেই অনুষ’ঙ্গেই খাওয়াদাওয়া। আরও একটা সামাজিক

ব্যাপার এই আচারের মধ্যে নিহিত।

সেটা এই পালন উপলক্ষে কন্যার পিতৃগৃহে আগমন। সেকালে মেয়েদের বাপের বাড়ি যাওয়া খুব নিয়মিত ছিল না। দূরে বিয়ে হলে তো কথাই নেই! কলকাতার বনেদি বাড়িগু’লোয় বিশ শতকের প্রথমা’র্ধেও বউ আনা ‘হত দূর থেকে। এর পিছনে একটা পুংতান্ত্রিক কলকাঠি কাজ করত অবশ্যই।

বউ যাতে সহজে বাপের বাড়ি যেতে না পারে, তার বন্দোবস্ত আর কি! কিন্তু এহে’ন বজ্র আঁটুনির মাঝখানেই ষষ্ঠী ঠাকরুন খাপ পাততেন। জামাই ষষ্ঠী সেই পুংতন্ত্রকেই ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে মেয়েদের নিজস্ব এক

আচার, যেখানে জামাইয়ের স’ঙ্গে মেয়ের আগমনটাও সুনিশ্চিত। আর বছরে কবারই বা জামাই আসেন শ্বশুরবাড়িতে! ফলে খাতিরদারি জমজমাট।

একমাত্র মেয়ের বিয়ের পর মেয়েকে অন্যের বাড়ি না দিয়ে নিজের কাছে রেখে দিলেন বাবা। তাই বিয়ের পর জামাইয়ের ঠিকানা হলো শ্বশুরবাড়িতে। বাংলাদেশে এই জামাইকে বলা হয় ঘর জামাই। ঘর জামাই হয়ে

যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেয়ে গেল এই জামাই।

এটা খাবে ওটা খাবে করে সারাক্ষন মাথা পাগল করে রাখতো এই জামাই।আর এতেই অস্থির করে রাখতো শ্বশুড়বাড়ির লোকদের। খাবার নিয়ে সারাক্ষন ঘ্যান ঘ্যান করতো জামাই। সব খাবারে ভুল ধ’রাতেই ছিল তার

একমাত্র লক্ষ্য।

দুপুরে খাবারে বসেই মুখে খাবার তুলে বলে ফেললেন, তরকারিতে লবন কম হয়েছে। আর এই কথা বলার পর যেন তেলে বেগু’নে জ্বলে উঠলেন শ্বাশুড়ি। মাংসে লবন কম হয়েছে এই কথা বলার পর জামাইকে চামচ

দিয়ে পি’টালেন শ্বাশুড়ি।

নিউজটি শেয়ার করার অনুরোধ রইলো

বিশ্বের সেরা ১০ পর্ণ স্টার এবং তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী পর্ন তারকা তিনি

বিশ্বের সেরা ১০ পর্ণ স্টার এবং তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় বিশ্বের সেরা ১০ পর্ণ স্টার এবং তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ২০১৪ সালে পর্ণ জগতে আসা মিয়া খলিয়া...